সকাল থেকেই শ্রীকৃষ্ণের পুজো ও আরাধনায় মুখর হয়ে ওঠে লক্ষ্মী ভাটিকা ভবন। ভক্তরা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কাছে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রার্থনা করেন। সন্ধ্যায় আয়োজন করা হয় শিশুদের নিয়ে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। নৃত্য, আবৃত্তি ও যোগাসনের মাধ্যমে খুদে শিল্পীরা নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরে। তাদের সাবলীল পরিবেশনা উপস্থিত দর্শকদের মন কেড়ে নেয়। শিশুদের উৎসাহ দিতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদেরও কমিটির পক্ষ থেকে সম্মানিত করা হয়।
জন্মাষ্টমী মহোৎসব কমিটির সদস্য বিশ্বজিৎ গোরাই বলেন, “রানীগঞ্জের সমস্ত সনাতনী সমাজের মানুষকে সঙ্গে নিয়েই ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মোৎসব পালন করা হচ্ছে। সকাল থেকে পুজো-অর্চনার পর সন্ধ্যায় শিশুদের জন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোনের প্রতি শিশুদের আসক্তি ক্রমশ বাড়ছে। সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই শিশুদের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করা এবং তাদের সুপ্ত প্রতিভাকে সামনে নিয়ে আসার উদ্দেশ্যেই এই বিশেষ উদ্যোগ। তাঁর কথায়, “শিশুদের হাতে মোবাইলের পরিবর্তে সংস্কৃতির মঞ্চ তুলে দিতে পারলে তাদের ভবিষ্যৎ আরও সুন্দর হবে।”
জন্মাষ্টমীর এই আয়োজন ঘিরে শুধু ধর্মীয় আবেগ নয়, শিশুদের প্রতিভা বিকাশের বার্তাও উঠে আসে। অনুষ্ঠানের শেষপর্বে খুদেদের পরিবেশনা এবং সমগ্র আয়োজনকে ঘিরে উপস্থিতদের মধ্যে ছিল উচ্ছ্বাস ও আনন্দের আবহ। অনুষ্ঠানে মণীশ শর্মা, মদন ত্রিবেদী, আনন্দ সাউ, জ্যাকি ভাদানি, তেজ প্রতাপ সিং এবং রণজিৎ সিং-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
Reviewed by Social Tribal News Journalist
on
September 05, 2026
Rating:


No comments: