বিধায়কের দাবি, চলতি মাসের ৪ তারিখের পর থেকে কলেজে এই ধরনের ঘটনা পাঁচবার ঘটেছে। তাঁর কথায়, বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে একদিনেই তাঁকে প্রায় ৫০-৬০টি ফোন এসেছে। বিপুল সংখ্যক পড়ুয়ার এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বারবার অশান্তির ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় বলেন, “প্রায় ৮ হাজার পড়ুয়ার কলেজে লোহার রড দিয়ে বোর্ড ভাঙা কিংবা মহিলা কর্মীদের সঙ্গে অভব্য আচরণের মতো ঘটনা উদ্বেগজনক। আমিও ছাত্র রাজনীতি করেছি। কিন্তু শিক্ষকের প্রতি সম্মান থাকা জরুরি। যে ভিডিও সামনে এসেছে, তাতে পরিস্থিতি আরও বড় দুর্ঘটনার দিকে যেতে পারত।”
কলেজের পরিবেশ নিয়ে বিধায়ক আরও অভিযোগ করেন, বাইরের লোকজনকে কলেজে ঢুকিয়ে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসন বা পুলিশের তরফে কোনও পৃথক বক্তব্য এদিন সামনে আসেনি। বিধায়ক জানান, বিষয়টি নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
অন্যদিকে, কলেজে ছাত্র সংগঠনগুলির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। এবিভিপি-কে ঘিরে রাজনৈতিক অভিযোগের প্রসঙ্গে বিধায়ক বলেন, প্রত্যেকের নিজস্ব রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকতে পারে। তবে মতাদর্শ থাকা এবং কলেজের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করা এক বিষয় নয়।
শেষে কলেজের পড়ুয়াদের উদ্দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার বার্তা দেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, “ছাত্র হলে ছাত্রের মতো আচরণ করতে হবে। কলেজ শিক্ষার মন্দির, কোনও আখড়া নয়। পড়াশোনায় মন দিতে হবে এবং শিক্ষকদের সম্মান করতে হবে। হিংসার মাধ্যমে কারও কেরিয়ার তৈরি হয় না, বরং তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।”
সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে কলেজে যাতে ফের কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেই বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারি এবং কলেজ কর্তৃপক্ষের ভূমিকা এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
Reviewed by Social Tribal News Journalist
on
September 23, 2026
Rating:


No comments: