পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুপুর প্রায় ১টা নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছন ফরেনসিক বিভাগের আধিকারিকেরা। বাড়ির ভিতরের বিভিন্ন অংশ, ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি এবং আশপাশে থাকা সামগ্রী খতিয়ে দেখা হয়। পরীক্ষা শেষে প্রায় ২টো নাগাদ ঘটনাস্থল ছাড়ে ফরেনসিক দল। সংগৃহীত নমুনাগুলি পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
তদন্তকারীদের নজর এখন সেই রিপোর্টের দিকে। আগুন কীভাবে লাগল, অগ্নিদগ্ধ হওয়ার ঘটনায় অন্য কোনও বিষয় জড়িত ছিল কি না—নমুনার পরীক্ষার ফলাফল হাতে এলে তদন্তে তার কিছুটা স্পষ্টতা মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
ফরেনসিক দল চলে যাওয়ার পর ফের বাড়িটি সিল করে দেয় পুলিশ। এ দিন ঘটনাস্থলে জামুড়িয়া থানার কেন্দা ফাঁড়ির আইসি-সহ একাধিক পুলিশ আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। বাড়ির আশপাশেও নজরদারি চালানো হয়।
এ দিকে ফরেনসিক তদন্তের খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলের কাছে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভিড় জমে যায়। গৃহবধূর মৃত্যু ঘিরে এলাকায় ইতিমধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠেছে। সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এখন পুলিশি তদন্তের পাশাপাশি ফরেনসিক রিপোর্টকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মৃত্যুটি নিছক দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে—তা নিশ্চিত করতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। ফলে সংগৃহীত নমুনার রিপোর্ট এখন তদন্তের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
Reviewed by Social Tribal News Journalist
on
September 24, 2026
Rating:


No comments: