স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগেই ধান্দাডিহির একটি অংশে আচমকা মাটি বসে যায়। ধসের পর তৈরি হওয়া গর্ত থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায় বলেও দাবি বাসিন্দাদের। বিষয়টি ইসিএল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও, তাঁদের অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত স্থায়ীভাবে পরিস্থিতির সমাধান হয়নি।
এরই মধ্যে শনিবার সকালে ফের বিকট শব্দ। শব্দে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন গ্রামবাসীরা। পরে ঘটনাস্থলের কাছে একটি কুয়োর জলে অস্বাভাবিক নড়াচড়া লক্ষ্য করা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই জলের স্তর প্রায় ২০ ফুট নীচে নেমে যায় বলে দাবি স্থানীয়দের।
পরপর এমন ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, মাটির নীচে ঠিক কী ধরনের পরিবর্তন হচ্ছে। ধসের পাশাপাশি মাটি থেকে ধোঁয়া বেরোনো এবং কুয়োর জলের স্তর হঠাৎ নেমে যাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে। বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, এলাকায় একাধিক বাড়িতেও ফাটল দেখা দিয়েছে।
ধান্দাডিহির বাসিন্দাদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত খনি এলাকা ও ভূগর্ভস্থ পরিস্থিতি নিয়ে তাঁদের মধ্যে আশঙ্কা রয়েছে। নতুন করে ধসের ঘটনা ঘটলে বড়সড় বিপদের আশঙ্কা করছেন তাঁরা। দ্রুত ভূতাত্ত্বিক ও প্রযুক্তিগত পরীক্ষা করে পরিস্থিতি স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে।
এ বিষয়ে রানীগঞ্জের বিধায়ক পার্থ ঘোষ বলেন, “ধান্দাডিহি ধসকবলিত এলাকা। কিন্তু বারবার ধসের ঘটনা ঘটবে, তা বরদাস্ত করা হবে না। ইসিএল কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে এলাকার মানুষকে নিরাপদ জায়গায় পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।”
ঘটনার পর এলাকায় নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন বাসিন্দারা। বড় কোনও দুর্ঘটনার আগেই প্রশাসন ও ইসিএল কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ নিক—এখন সেটাই তাঁদের মূল দাবি।
Reviewed by Social Tribal News Journalist
on
September 19, 2026
Rating:


No comments: