হুগলি, ডানকুনি-: হুগলি জেলার ডানকুনি থানা এলাকার এক আদিবাসী মহিলা বিএলও- কে মারধরের অভিযোগকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগকারী মহিলার নাম বিমলী টুডু হাঁসদা। ঘটনার পর তাঁর করা একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়, যেখানে তিনি আদিবাসী সমাজ ও বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠনের কাছে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। অভিযোগকারীর দাবি, বর্তমানে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া চলাকালীন এলাকায় একাধিক ব্যক্তির ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন করা হচ্ছিল। সেই সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি আব্দুল রহিম গাজীর নথিপত্র যাচাই করতে গেলে বিবাদ শুরু হয়। বিমলী টুডু হাঁসদার অভিযোগ, নথিপত্র দেখে জানা যায় অভিযুক্ত ব্যক্তি একজন ভাড়াটিয়া এবং বাংলাদেশি নাগরিক। এই বিষয় নিয়ে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে আব্দুল রহিম গাজী তাঁর উপর শারীরিকভাবে চড়াও হন এবং চটি খুলে মারধর করেন। এই ঘটনায় তিনি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ডানকুনি থানায়। শুধু তাই নয়, অভিযোগকারীর আরও দাবি, অভিযুক্তের স্ত্রী রিনা বেগম মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেন এবং মামলা না তুললে প্রাণনাশের হুমকিও দেন। এদিকে, ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর আদিবাসী সমাজ ও বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকেই জানতে চাইছেন, এই ঘটনায় আদিবাসী সংগঠনগুলি আদৌ পাশে দাঁড়াবে, নাকি নীরব ভূমিকা পালন করবে। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত পুলিশের তরফে বিস্তারিত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ডানকুনি থানা সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত চলছে। ঘটনার সত্যতা ও সমস্ত অভিযোগের আইনি যাচাই এখনো প্রক্রিয়াধীন। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয় বলেই জানাচ্ছেন প্রশাসনিক সূত্র।
Reviewed by Social Tribal News Journalist
on
January 04, 2026
Rating:

No comments: