সাঁওতাল জনজাতির সহরায় উৎসবের উপলক্ষে সামাজিক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত, জামুড়িয়ায় বিজেপি নেতা কৃষ্ণা প্রসাদের ৬ হাজার শাড়ি বিতরণ
জামুড়িয়া -: সহরায় উৎসব (বান্দনা পরব) এর উপলক্ষে জামুড়িয়া বিধানসভা এলাকায় সামাজিক সম্প্রীতি ও আদিবাসী সংস্কৃতির প্রতি সম্মানের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন হলো। আসানসোল শিল্পাঞ্চলের বিশিষ্ট সমাজসেবী ও বিজেপি নেতা কৃষ্ণা প্রসাদ আদিবাসী সমাজের মহিলাদের মধ্যে ব্যাপকভাবে শাড়ি বিতরণ করেন।
প্রকৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত সহরায় উৎসব (বান্দনা পরব) উপলক্ষে এই শুভ দিনে কৃষ্ণা প্রসাদ আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে মহিলাদের হাতে শাড়ি তুলে দেন। এই উদ্যোগ শুধু আর্থিক সহায়তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং আদিবাসী সমাজের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও দৃঢ় করার বার্তাও বহন করে।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় সকালে মা ঘাঘর বুড়ি মন্দিরে পূজা-অর্চনার মাধ্যমে। মন্দিরে মায়ের আশীর্বাদ গ্রহণের পর কৃষ্ণা প্রসাদ তাঁর দলবল নিয়ে জামুড়িয়া বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন আদিবাসী পাড়ায় পৌঁছান এবং মহিলাদের শাড়ি উপহার দেন। জামুড়িয়া বিধানসভা এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শিবডাঙা আদিবাসী পাড়া, ১০ নম্বর ওয়ার্ডের নিঘা কোলিয়ারি আদিবাসী পাড়া, ১২ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীপুর সহ সমস্ত আদিবাসী পাড়ায় প্রায় ৬ হাজার শাড়ি বিতরণ করা হয়। শাড়ি পেয়ে মহিলাদের মুখে আনন্দের ঝলক স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
এই প্রসঙ্গে সমাজসেবী ও বিজেপি নেতা কৃষ্ণা প্রসাদ বলেন, সহরায় উৎসব (বান্দনা পরব ) উপলক্ষে আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় শাড়ি বিতরণের সংকল্প নিয়েছি। আমাদের উদ্দেশ্য আদিবাসী সমাজের আনন্দে অংশীদার হওয়া এবং তাঁদের সংস্কৃতি রক্ষায় নিজেদের অবদান রাখা। আগামী তিন থেকে চার দিন ধরে আসানসোল, রানিগঞ্জ, কুলটি ও বারাবনি বিধানসভা এলাকাতেও ধারাবাহিকভাবে শাড়ি বিতরণ কর্মসূচি চলবে।”
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি মণ্ডল তিনের সভাপতি দীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দীনবন্ধু রায়, অমিত নোনিয়া, মঙ্গল হাঁসদা, অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী, বিজয় প্রকাশসহ কৃষ্ণা প্রসাদের সম্পূর্ণ টিম।
সহরায় উৎসব (বান্দনা পরব) উপলক্ষে এই শাড়ি বিতরণ কর্মসূচি একদিকে যেমন প্রয়োজনীয় মহিলাদের জন্য স্বস্তি নিয়ে এসেছে, তেমনই আদিবাসী সংস্কৃতির সম্মান ও সামাজিক সমন্বয়ের এক শক্তিশালী বার্তাও তুলে ধরেছে।
Reviewed by Social Tribal News Journalist
on
January 05, 2026
Rating:

No comments: