খুঁটি পুজোর পর উপস্থিত ভক্তরা মা দুর্গার কাছে আগামী দুর্গোৎসবের সফল ও নির্বিঘ্ন আয়োজনের পাশাপাশি এলাকার মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করেন। অনুষ্ঠানে বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেন, “দুর্গাপুজো শুধুমাত্র ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি সামাজিক ঐক্য, সম্প্রীতি ও বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অন্যতম প্রতীক। এই ধরনের আয়োজন সমাজের সকল স্তরের মানুষকে একত্রিত করে।” তিনি মা দুর্গার কাছে পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মঙ্গল কামনা করেন।
অন্যদিকে, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী কুমার চৌবের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পায়। পুজো কমিটির সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। তিনি পুজো কমিটির সদস্যদের শুভেচ্ছা জানান এবং আগামী দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার কামনা করেন। পুজো কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, খুঁটি পুজোর পর থেকেই শুরু হবে দুর্গাপুজোর মূল প্রস্তুতি। মণ্ডপ নির্মাণ, প্রতিমা তৈরি, আলোকসজ্জা, সাজসজ্জা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং দর্শনার্থীদের জন্য বিভিন্ন পরিষেবার ব্যবস্থা ধাপে ধাপে করা হবে। বিপুল সংখ্যক ভক্তের সমাগমের সম্ভাবনা থাকায় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার বিষয়টিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
খুঁটি পুজোর শেষে উপস্থিত সকলেই মা দুর্গার কাছে এলাকার শান্তি, সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও সমৃদ্ধি বজায় রাখার প্রার্থনা করেন। খুঁটি পুজোর মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি শুরু হওয়ায় পুজো কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও ইতিমধ্যেই উৎসবের আমেজ ও ব্যাপক উৎসাহ দেখা দিয়েছে।
Reviewed by Social Tribal News Journalist
on
August 16, 2026
Rating:


No comments: