যাত্রাকে কেন্দ্র করে রানীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয় উৎসবের পরিবেশ। সারিবদ্ধভাবে হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে এগিয়ে চলেন অংশগ্রহণকারীরা। সঙ্গে ছিল দেশাত্মবোধক স্লোগান। ফলে কিছু সময়ের জন্য শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা যেন পরিণত হয় তিরঙ্গার মিছিলে।
এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রানীগঞ্জের বিধায়ক পার্থ ঘোষ, বিজেপির জেলা সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য, শামশের সিং, দিনেশ সোনি, মনোজ ওঝা, রবি কেশরী, মোনু বর্মা-সহ দলের জেলা ও স্থানীয় নেতৃত্ব এবং বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক।
তিরঙ্গা যাত্রার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আবেদন জানানো হয়। প্রত্যেক বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি দেশের ঐক্য, অখণ্ডতা ও জাতীয় চেতনা আরও সুদৃঢ় করার বার্তাও তুলে ধরা হয়।
বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, স্বাধীনতা দিবস শুধুমাত্র উদ্যাপনের দিন নয়। এই দিন দেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মবলিদান দেওয়া অসংখ্য স্বাধীনতা সংগ্রামীর ত্যাগ ও সংগ্রামকে স্মরণ করার দিন। তাঁদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং জাতীয় ঐক্যের চেতনাকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়।
এদিনের তিরঙ্গা যাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। শহরের বিভিন্ন রাস্তা দিয়ে যাত্রা এগিয়ে যাওয়ার সময় ‘ভারত মাতা কি জয়’ এবং ‘বন্দে মাতরম’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ।
আয়োজকদের দাবি, ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির মাধ্যমে স্বাধীনতা দিবসের আবহে সাধারণ মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম, জাতীয় ঐক্য ও দেশের প্রতি দায়বদ্ধতার বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাঁদের মূল লক্ষ্য। কর্মসূচির শেষে দেশের ঐক্য, অখণ্ডতা ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।
Reviewed by Social Tribal News Journalist
on
August 11, 2026
Rating:

No comments: