স্থানীয় সূত্রের দাবি, সংশ্লিষ্ট জলাশয়টি রাতের অন্ধকারে ভরাটের কাজ চলছিল। ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিধায়ক পার্থ ঘোষ অভিযোগের সত্যতা যাচাই করেন এবং বিষয়টি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে জমিটি আদিবাসী সমাজের নামে নথিভুক্ত এবং সেটি দখল ও ভরাটের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাস্থলেই বিধায়ক পার্থ ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “আমার বিধানসভা এলাকায় কোনও ধরনের অবৈধ কাজ বরদাস্ত করা হবে না। বিশেষ করে জলাশয় ভরাট, জমি দখল বা জমি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। সতর্ক করার পরও যদি কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তিনি আরও জানান, অবৈধভাবে জলাশয় ভরাট বা সরকারি ও সামাজিক সম্পত্তি দখলের মতো অভিযোগকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে।
উল্লেখ্য, অতীতেও রানীগঞ্জ-সহ বিভিন্ন এলাকায় জলাশয় ভরাট ও জমি দখল নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। ফলে এই ঘটনাকে ঘিরেও স্থানীয় মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন নজর থাকবে প্রশাসনের তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
এদিকে, রানীগঞ্জের বিএলঅ্যান্ডএলআরও আধিকারিক জানান, মঙ্গলবার রাতেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে ফোনে বিষয়টি জানানো হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত তাঁর দপ্তরে কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। তবে প্রশাসনিক সূত্রে বিষয়টি জানানো হয়েছে বলেই ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “লিখিত অভিযোগ না এলেও প্রশাসনের তরফে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তাই আমাদের দপ্তরের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
Reviewed by Social Tribal News Journalist
on
August 06, 2026
Rating:


No comments: