অভিযানের সময় সন্দেহভাজনদের আটক করে তল্লাশি চালাতেই পুলিশের হাতে উঠে আসে আগ্নেয়াস্ত্র ও অন্যান্য সামগ্রী। ধৃতদের কাছ থেকে একটি পাইপগান, কার্তুজ, অন্যান্য অস্ত্র এবং একটি ওমনি গাড়ি উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ধৃতদের পরিচয় এমডি আলাউদ্দিন ওরফে লাদেন (২৩), এসকে আজহারউদ্দিন (৩০), এসকে হোসেন (১৯) এবং এমডি তাজ খান (১৯) হিসেবে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে দাবি, ধৃত চারজনই বীরভূম জেলার বিভিন্ন থানা এলাকার বাসিন্দা।
তবে ঠিক কী উদ্দেশ্যে তারা গভীর রাতে ওই এলাকায় জড়ো হয়েছিল, তাদের নির্দিষ্ট লক্ষ্য কী ছিল এবং কোনও অপরাধমূলক ঘটনা ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল কি না—তা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুরো বিষয়টির রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের এই তৎপরতায় বড় ধরনের কোনও অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই তা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও ধৃতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তথ্য তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। বৃহস্পতিবার ধৃত চারজনকে আসানসোল জেলা আদালতে পেশ করা হয়। ঘটনার তদন্ত ইতিমধ্যেই শুরু করেছে রানীগঞ্জ থানার পুলিশ। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে কথিত ডাকাতির পরিকল্পনার নেপথ্যে থাকা আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলে পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
Reviewed by Social Tribal News Journalist
on
August 20, 2026
Rating:


No comments: