শিবিরে উপস্থিত সাধারণ মানুষকে তাঁদের আইনি অধিকার, আইনগত সুরক্ষা এবং বিভিন্ন সরকারি সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবহিত করা হয়। পাশাপাশি বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ এবং আইনি সমস্যার ক্ষেত্রে কোথায় ও কীভাবে আবেদন করতে হবে, সে বিষয়েও তাঁদের পরামর্শ দেওয়া হয়।
শিবিরে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমান জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের সচিব তথা মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট পদমর্যাদার বিচারবিভাগীয় আধিকারিক অম্রপালি চক্রবর্তী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ভারত সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রকের বিচার বিভাগের অধীন বিনামূল্যে আইনি পরিষেবা ব্যবস্থার প্রতিনিধি তথা কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী স্বপ্নিল মুখোপাধ্যায় এবং বিচার বিভাগের ‘ন্যায়বন্ধু’ তথা আইনজীবী কেতন মাখারিয়া। সাধারণ মানুষের কাছে আইনি পরিষেবাকে আরও সহজলভ্য করে তোলার বিভিন্ন দিক নিয়ে তাঁরা উপস্থিতদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
এদিনের শিবিরে নারায়ণকুড়ির ভুমানন্দ কৃষ্ণকুঞ্জ আশ্রমের দেবানন্দ মহারাজ এবং বল্লভপুর ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক পার্থপ্রতিম চক্রবর্তীও উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।
শিবিরে আইনি সহায়তা প্রার্থীদের কাছ থেকে সরাসরি আবেদনপত্র সংগ্রহ করেন জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের প্যারা-লিগ্যাল ভলান্টিয়ার ও অন্যান্য কর্মীরা। আদালতে মামলা দায়েরের আগেই পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে বিরোধ মেটানোর লক্ষ্যে ‘প্রি-লিটিগেশন মধ্যস্থতা’-র জন্যও একাধিক আবেদন গ্রহণ করা হয়। ফলে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শিবির থেকেই প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তার প্রাথমিক প্রক্রিয়াও শুরু হয়।
স্থানীয় মানুষের আইনি অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজে আইনি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শিবিরের সার্বিক সাফল্যে বর্নালি সিং দাস, অভিক কুমার মণ্ডল-সহ এলাকার বিশিষ্ট বাসিন্দাদের সহযোগিতা ছিল বলেই জানা গেছে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে।
Reviewed by Social Tribal News Journalist
on
August 26, 2026
Rating:


No comments: