পরিদর্শন শেষে এমভিআই দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন পরিবহণমন্ত্রী। বৈঠকে যানবাহন সংক্রান্ত পরিষেবা, সরকারি রাজস্ব সংগ্রহ, দফতরের কার্যপ্রণালী এবং বিভিন্ন বিভাগীয় কাজ নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা যায়। তবে বৈঠকে নির্দিষ্ট কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। কুলটি ও আশপাশের এলাকা জাতীয় সড়ক-১৯-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় প্রতিদিনই প্রচুর ভারী যানবাহন ও অন্যান্য গাড়ি চলাচল করে। সেই কারণে এই অঞ্চলের পরিবহণ ব্যবস্থাপনা ও যানবাহন সংক্রান্ত সরকারি পরিষেবার ক্ষেত্রে রামপুর এমভিআই দফতরের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। মন্ত্রীর আচমকা পরিদর্শনকে সেই দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, আগাম খবর ছাড়া এ ধরনের পরিদর্শনের ফলে দফতরের বাস্তব কাজকর্ম সম্পর্কে সরাসরি ধারণা পাওয়া সম্ভব হয়। সাধারণ মানুষ কতটা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পরিষেবা পাচ্ছেন এবং বিভাগীয় কাজকর্ম কতটা কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তা বোঝার ক্ষেত্রেও এই ধরনের পরিদর্শন গুরুত্বপূর্ণ। এদিনের পরিদর্শনের পর আগামী দিনে রামপুর এমভিআই দফতরের পরিষেবা, যানবাহন সংক্রান্ত কাজ এবং রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে কোনও নতুন নির্দেশ বা পরিবর্তন আসে কি না, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে। মন্ত্রীর আকস্মিক উপস্থিতিকে ঘিরে দিনভরই দফতর চত্বরে ছিল ব্যাপক চর্চা।
Reviewed by Social Tribal News Journalist
on
August 17, 2026
Rating:

No comments: