এদিন বিধায়কের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রানীগঞ্জ বিএলআরও দপ্তরের আধিকারিক, রানিগঞ্জ থানার আইসি-সহ প্রশাসনের অন্যান্য প্রতিনিধি। প্রায় ১২১ বিঘা বিস্তৃত রাজবাঁধ পুকুরের বর্তমান পরিস্থিতি ঘুরে দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিধায়ক।
পরিদর্শনের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে পার্থ ঘোষ বলেন, “রাজবাঁধ পুকুর রানীগঞ্জের ঐতিহ্যের অংশ। একসময় এখানে ধুমধাম করে ছটপুজো ও বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান হতো। বহু মানুষ এই পুকুরের জল ব্যবহার করতেন। পাশাপাশি এখানে ব্যাপক মাছ চাষ হওয়ায় রানীগঞ্জ বাজারে মাছের দামও অনেকটাই কমে গিয়েছিল। অথচ আজ সেই ঐতিহ্য ধ্বংসের মুখে।”
তিনি আরও জানান, খুব শীঘ্রই প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুরো ১২১ বিঘা জমির সরকারি পরিমাপ করা হবে। যাঁরা পুকুরের জমি দখল করে অবৈধ নির্মাণ করেছেন, তাঁদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে বিধায়ক বলেন,
“যাঁরা জানেন তাঁদের নির্মাণ পুকুরের জমির উপর হয়েছে, তাঁরা নিজেরাই তা সরিয়ে ফেলুন। প্রশাসনিক পরিমাপে অবৈধ দখল ধরা পড়লে আইন মেনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বিধায়কের এই আকস্মিক পরিদর্শনের পর থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, অবৈধ নির্মাণে যুক্তদের মধ্যে ইতিমধ্যেই আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে প্রশাসনের এই সক্রিয় ভূমিকায় আশাবাদী সাধারণ মানুষ। তাঁদের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ করা হলে রাজবাঁধ পুকুর আবারও ফিরে পেতে পারে তার পুরনো ঐতিহ্য, পরিবেশ এবং গুরুত্ব।
Reviewed by Social Tribal News Journalist
on
May 25, 2026
Rating:


No comments: