বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সংগৃহীত গণস্বাক্ষর শীঘ্রই তিরাট এরিয়ার ইসিএল কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হবে। পাশাপাশি বিষয়টি জানিয়ে আসানসোল দক্ষিণের বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পালের কাছেও স্মারকলিপি ও গণস্বাক্ষর জমা দেওয়া হবে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তাঁরা প্রায় চার দশক ধরে ওই এলাকায় বসবাস করছেন এবং দীর্ঘদিন ধরেই ইসিএলের বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে আসছেন। হঠাৎ করেই ইসিএল কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা এবং জমি থেকে উচ্ছেদের নোটিস জারি করায় চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন তাঁরা।
এলাকাবাসীদের বক্তব্য, বর্তমানে বহু পরিবারের সন্তান স্থানীয় স্কুলে পড়াশোনা করছে। এই সময় উচ্ছেদ হলে শুধু মাথা গোঁজার ঠাঁই হারানোর আশঙ্কাই নয়, শিশুদের শিক্ষাজীবনও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানান তাঁরা।
এলাকার বাসিন্দা পরেশ মণ্ডল জানান, "শুধু গণস্বাক্ষরেই আন্দোলন থেমে থাকবে না। প্রয়োজনে আগামী দিনে বৃহত্তর গণআন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হবেন এলাকার মানুষ। নিজেদের বাসস্থান রক্ষায় শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়া হবে।"
এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অনিন্দ্য আচার্য মণ্ডল, পরেশ বাউরী, জয়ন্ত বাউরী-সহ তিরাট এলাকার বহু বাসিন্দা। উচ্ছেদ নোটিস প্রত্যাহারের দাবিতে আগামী দিনেও ধারাবাহিক কর্মসূচি গ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
Reviewed by Social Tribal News Journalist
on
June 28, 2026
Rating:


No comments: