ভুক্তভোগী বিপতারণ মাজি জানান, রবিবার দুপুর প্রায় সাড়ে ১২টা নাগাদ তিনি নিজের লটারির দোকান বন্ধ করে দুই বন্ধুকে নিয়ে চাঁদা মোড়ের একটি হোটেলে খেতে যান। হোটেলের বাইরে তিনি তার হিরো গ্ল্যামার বাইকটি দাঁড় করিয়ে রাখেন। দুপুর প্রায় ১টা ২০ মিনিটে খাওয়া শেষ করে বাইরে এসে দেখেন, যেখানে বাইকটি রেখেছিলেন সেখানে আর বাইকটি নেই।
এরপর আশপাশে অনেক খোঁজাখুঁজি এবং স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলেও বাইকের কোনো খোঁজ মেলেনি। পরে তিনি শ্রীপুর ফাঁড়িতে গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে শ্রীপুর ফাঁড়ির পুলিশ চাঁদা মোড়ে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। তদন্তে দেখা যায়, হোটেলের সামনে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। পুলিশ আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে। পাশাপাশি হোটেল মালিককে দ্রুত হোটেলের সামনে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
হোটেল মালিক জানান, দুপুরের সময় হোটেলে খেতে আসা লোকজনের যথেষ্ট ভিড় থাকে। যার বাইক চুরি হয়েছে তিনি হোটেল থেকে কিছুটা দূরে বাইকটি রেখেছিলেন। এছাড়া ওই দিন চাঁদায় হাট বসায় এলাকায় প্রচুর ভিড় ছিল। সেই সুযোগেই চোরেরা বাইকটি চুরি করে থাকতে পারে। তিনি আরও জানান, আগে এখানে এমন ঘটনা ঘটেনি এবং খুব শিগগিরই হোটেলের সামনে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে।
উল্লেখ্য, চাঁদা মোড় এলাকায় সবসময় শ্রীপুর পুলিশের পেট্রোলিং গাড়ি এবং ট্রাফিক পুলিশের উপস্থিতি থাকে। তবুও দিনের আলোয় এ ধরনের চুরির ঘটনা ঘটায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। চাঁদা ও নিংঘা এলাকাকে অনেকেই চোরদের আড্ডাখানা বলে মনে করেন। এখন দেখার বিষয়, পুলিশ কত দ্রুত এই বাইক চুরির ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে পারে।
Reviewed by Social Tribal News Journalist
on
March 15, 2026
Rating:

No comments: