তবে শুধু সাইকেল চালানোই নয়, পড়ুয়াদের সঙ্গে একসঙ্গে বসে মিড-ডে মিলের খাবারও খান অগ্নিমিত্রা পাল। মন্ত্রীকে এভাবে নিজেদের মাঝে পেয়ে খুদে পড়ুয়াদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। এদিনের অনুষ্ঠান থেকে এলাকার উন্নয়ন নিয়েও একাধিক আশ্বাস দেন মন্ত্রী। বাংলার পড়ুয়াদের জন্য সাইকেল যাতে রাজ্যেই তৈরি করা যায়, সেই লক্ষ্যে বন্ধ হয়ে থাকা সাইকেল কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান তিনি।
পাশাপাশি বল্লভপুরের বন্ধ পেপার মিল, বালকো কারখানা ও কটন মিল ফের চালুর বিষয়েও উদ্যোগী হওয়ার আশ্বাস দেন অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর বক্তব্য, পুরনো মালিকরা কারখানা চালাতে না পারলে উপযুক্ত সংস্থাকে এনে সেখানে ফের উৎপাদন শুরু করার চেষ্টা করা হবে। এছাড়াও এলাকার স্কুলগুলিতে স্মার্ট ক্লাস চালু এবং বেহাল রাস্তাগুলি দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
মন্ত্রীকে এতটা কাছ থেকে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই খুশি পড়ুয়ারা। তাঁদের কথায়, ‘‘মন্ত্রী শুধু সাইকেল দেননি, আমাদের সঙ্গে সাইকেল চালিয়েছেন, আবার একসঙ্গে বসে খাবারও খেয়েছেন।’’ এদিনের স্মৃতি তাঁদের কাছে দীর্ঘদিন মনে থাকবে বলেই জানায় পড়ুয়ারা।
Reviewed by Social Tribal News Journalist
on
October 03, 2026
Rating:


No comments: